কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫ এ ০৯:৪৬ PM

তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন

কন্টেন্ট: পাতা

সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ খাত অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বিদ্যুৎ খাতে সমন্বিত আইসিটি উন্নয়নে আইসিটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং উক্ত রোডম্যাপ অনুযায়ী আইসিটি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ/বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।  বিদ্যুৎ খাতে গ্রাহক সেবার মানোন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জাতীয় শুদ্ধাচার (NIS) বাস্তবায়নসহ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। অচিরেই রোডম্যাপ অনুযায়ী Enterprise Resource Planning (ERP) বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতে ‘পেপারলেস’ অফিসে রূপান্তর করা হবে।

 

বিদ্যুৎখাতে গৃহীত তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য উদ্যোগসমূহ নিম্নরূপ:

(১) ইআরপি বাস্তবায়ন: বিদ্যুৎ খাতের অধীন ১৪টি সংস্থা/কোম্পানিসমূহে ৪টি মডিউল (i) Human Resource & Payroll Module; (ii) Fixed Asset Module; (iii) Procurement Module; (iv) Financial Module বাস্তবায়নসহ ডাটা সেন্টার ও ডিজাস্টার রিকোভারি সেন্টার স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ ও সাপোর্ট সার্ভিস কার্যক্রম বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে এবং আরো ২টি মডিউল ২টি সাব মডিউল সংযোজনের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন ERP -কে সমৃদ্ধ করার কাজ চলমান আছে। ইআরপির ড্যাশ বোর্ডের মাধ্যমে সংস্থা/কোম্পানি সমূহের কার্যক্রম মনিটরিং করা যায়।

(২) বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন: নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়। ফলে গ্রাহকগণ ঝামেলামুক্তভাবে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন করতে পারেন এবং অনলাইনের মাধ্যমে সংযোগের হালনাগাদ তথ্য পেতে পারেন। এতে গ্রাহক ভোগান্তি হ্রাস পেয়েছে।

(৩) বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ: গ্রাহকদের জন্য কিছুদিন আগেও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা একটি ঝামেলার বিষয় ছিল। ব্যাংক ও ইউটিলিটির মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে বিল পরিশোধের পরেও পুনরায় বিল দাবী করার ঘটনা ঘটত। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বর্তমানে সকল গ্রাহকের হিসাব কম্পিউটারের ডাটাবেইজের আওতায় আনা হয়েছে এবং গ্রাহক মোবাইলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিলের তথ্য জানতে পারেন। এখন মোবাইল ফোন এবং অনলাইনের মাধ্যমেও গ্রাহকগণ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারেন।

(৪) অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাপনা: গ্রাহকগণের বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট নানাবিধ অভিযোগ দ্রæততার সাথে নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ খাতে কল সেন্টারের (১৬৯৯৯) মাধ্যমে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক অভিযোগ ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উক্ত কল সেন্টার নম্বরে বিভিন্ন মাধ্যমে গ্রাহকগণ অভিযোগ জানাতে পারেন এবং বিভিন্ন সেবা বা তথ্য দিন-রাত ২৪ ঘন্টা পেতে পারেন। যে কোন গ্রাহক যেকোন সময় অন-লাইনে, সোশ্যাল মিডিয়া, এ্যাপস এর মাধ্যমে সহজে ও দ্রুততম সময়ে অভিযোগ, মতামত প্রদান ও ট্র্যাক করতে পারে। ফলে প্রাপ্ত অভিযোগ দ্রæত নিষ্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।

(৫) ডি-নথি ব্যবস্থাপনা: বর্তমানে বিদ্যুৎ বিভাগ ও এর আওতাধীন সংস্থা/কোম্পানিসমূহে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ডি-নথি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ফলে নথি নিষ্পত্তির হার দ্রæত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কর্মকর্তাগণের নথি নিষ্পত্তি পরিবীক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। এতে কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। উল্লেখ্য যে, বিদ্যুৎ বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের ‘ডি-নথি ব্যবস্থাপনা’ বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

(৬) প্রকল্প পরিবীক্ষণ ব্যবস্থাপনা: বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার এডিপিভুক্ত প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকগণের অফিস দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত। প্রকল্প পরিচালকগণ হতে তথ্য একীভ‚ত করে সংস্থাভিত্তিক পরিবীক্ষণ করা বেশ কষ্টসাধ্য ও সময় সাপেক্ষ ছিল। ওয়েবভিত্তিক প্রকল্প পরিবীক্ষণ ব্যবস্থাপনা চালু করায় দূর-দূরান্ত অফিস হতে প্রকল্প পরিচালক কর্তৃক তথ্য প্রদানের সাথে সাথেই তা সফট্ওয়্যারের মাধ্যমে পরিবীক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বৃদ্ধি পেয়েছে।

(৭) ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থাপনা: ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ খাতে ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়নের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন সকল ইউটিলিটিসমূহের মধ্যে ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

(৮) কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: বিদ্যুৎ খাতের সংস্থাসমূহকে নানাবিধ কারণে বিভিন্ন মামলার সম্মুখীন হতে হয়। পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত সংরক্ষণের অভাবে মামলাসমূহ পরিচালনা ও বিভিন্ন পর্যায়ে তদারকিতে সমস্যা দেখা দেয়। উক্ত বাস্তবতায় বিদ্যুৎ খাতের সকল মামলার তথ্য ও অবস্থা জানার জন্য এবং তদানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার স্বার্থে কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফট্ওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। সিস্টেমটিতে মামলা সংক্রান্ত সকল প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন- আইনজীবী, বাদী-বিবাদী, সাক্ষী, আদালত, মামলার খরচ প্রভৃতি তথ্য এই সিস্টেমে সংরক্ষণ করা যায়। সংস্থাসমূহ তাদের মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির তারিখ এবং মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়মিতভাবে এই সিস্টেমে হালনাগাদ করতে পারে। ফলে মামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন রিপোর্টে সিস্টেম থেকে তৈরি করা যায়। বিদ্যুৎ বিভাগ সকল সংস্থার মামলাসমূহ এ সিস্টেম থেকে মনিটর করতে পারে।

এছাড়াও বিদ্যুৎ খাতে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগ যেমন হ্যাকাথন, আইডিয়া প্রতিযোগিতা, নিয়োগ, লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

(৯) SAIFI/SAIDI: বর্তমানে বিদ্যুতের রিলাইবিলিটি পরিমাপক SAIFI/SAIDI নির্ণয় ম্যানুয়ালভাবে রেজিস্টারের মাধ্যমে গণনা করা হয়। ইতোমধ্যে ওজোপাডিকো শতভাগ SAIFI/SAIDI পরিমাপক অটোমেশন ও ডিপিডিসি এবং ডেসকো অটোমেশন প্রায় সম্পন্ন করেছে এবং অন্যান্য বিতরণ সংস্থা/কোম্পানিসমূহ এর SAIFI/SAIDI অটোমেশন কার্যক্রম চলমান আছে।

(১০) SCADA: বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের উপর স্থাপিত দেশব্যাপী বিস্তৃত অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করে দেশের অন্যতম বৃহত্তম অত্যাধুনিক ডিজিটাল কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে, যা সকল বিদ্যুৎ স্থাপনাগুলোকে এনএলডিসির SCADA System এ সংযুক্ত করেছে। দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সুষ্ঠু, সাশ্রয়ী ও নিরাপদভাবে পরিচালনায় পিজিসিবি ও এর অধীন এনএলডিসি নিরলসভাবে কাজ করছে। এছাড়া বিদ্যুৎ খাতের কয়েকটি বিতরণ সংস্থা/কোম্পানিসমূহে SCADA System চালু আছে  এবং অন্যান্য বিতরণ সংস্থা/কোম্পানিসমূহে SCADA System চালুর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

(১১) পেপারলেস অফিস রূপান্তরে কর্মপরিকল্পনা: বিদ্যুৎ খাতের অফিসসমূহ পেপারলেস করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়ে থাকে।

(১২) সাইবার সিকিউরিটি সংক্রান্ত কার্যক্রম: বিদ্যুৎ বিভাগ হতে সাইবার নিরাপত্তার করণীয় নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের BGD e-gov CIRT এর সাথে বিভিন্ন সময় সভা, মতবিনিময় এবং তাদের দপ্তর পরিদর্শন করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়ে থাকে।

 (১৩) অপটিক্যাল গ্রাউন্ড ওয়্যার (OPGW): ২.৮ পাওয়ার গ্রিডের OPGW নেটওয়ার্ক উন্নয়ন: পাওয়ার গ্রিডের এর সঞ্চালন নেটওয়ার্কের সাথে স্থাপিত Optical Ground Wire (OPGW) বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উচ্চ ভোল্টেজ সঞ্চালন লাইনের Fault Protection ও বজ্রপাত থেকে সুরক্ষার জন্য টাওয়ারসমূহের সর্বোচ্চে গ্রাউন্ড-ওয়্যার এর পরিবর্তে বর্তমানে ব্যবহৃত অপটিক্যাল ফাইবার সমৃদ্ধ OPGW প্রযুক্তিটি পাওয়ার গ্রিড সহ বর্তমান বিশ্বে ইতোমধ্যেই ব্যাপকভাবে সমাদৃত। পাওয়ার গ্রিড সঞ্চালন লাইনের ওপরে  Ground-Wire এর পরিবর্তে OPGW এর পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হয় সর্বপ্রথম ১৯৯৬ সালে, যার পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ৯৪০০ কি.মি. যা কোর-কি.মি হিসেবে প্রায় ২,৩৬,৮৭৭ কোর-কি.মি.।

দেশব্যাপী সুষ্ঠু বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও সরবরাহের নিমিত্ত বিভিন্ন গ্রিড উপকেন্দ্র এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সাথে National Load Despatch Center (NLDC) এর Data Transfer, সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা এবং পাওয়ার গ্রিডের নিজস্ব Communication System এর জন্য উক্ত OPGW ব্যবহৃত হচ্ছে। অধিকন্তু দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সমপ্রসারণে OPGW এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পাওয়ার গ্রিডের গুরুত্বপূর্ণ OPGW এর মধ্যস্থিত অপটিক্যাল ফাইবারের প্রাপ্যতা ৯৯.৫% এর বেশি হওয়ায় উক্ত অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক একটি শক্তিশালী টেলিকম ট্রান্সমিশন ব্যাকবোন হিসেবে ব্যবহার করে দেশের চলমান  তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লবকে  অতীতের তুলনায় আরও বেগবান করা হয়েছে যার ফলশ্রুতিতে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ইতোমধ্যেই দেশের ৬০ টি জেলা পাওয়ার গ্রিডের OPGW এর মাধ্যমে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হতে প্রাপ্ত Nationwide Telecommunication Transmission Network (NTTN) লাইসেন্সিং গাইডলাইন অনুসরণে অন্যান্য NTTN অপারেটরদের ন্যায় পাওয়ার গ্রিডও OPGW ব্যবহার করে ইতোমধ্যেই NTTN অপারেটরদের মধ্যে বিটিসিএল, ফাইবার@হোম লি., সামিট কমিউনিকেশন লি. ও বাহন লি. এবং মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে টেলিটক বাংলাদেশ লি., বাংলালিংক লি., গ্রামীন ফোন লি. ও রবি আজিয়াটা লি.কে কোর-কিলোমিটার ভিত্তিতে OPGW স্থিত অপটিক্যাল ডার্ক ফাইবার লিজ প্রদান করেছে। প্রতিষ্ঠান সমূহ পাওয়ার গ্রিডের  লিজকৃত ফাইবার দ্বারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যান্ডউইডথ ট্রান্সমিশন ব্যাকবোন তৈরীর মাধ্যমে জাতীয় টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি দেশব্যাপী বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অধিকন্তু সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে উচ্চ শিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা করণে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক তাদের অধীনস্থ সংস্থা বিডিরেন  ট্রাস্ট এর মাধ্যমে সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাগারসমূহে ব্যান্ডউইথ ট্রান্সমিশন করার লক্ষ্যে যে, ব্যাকবোন নির্মাণ করেছে তাতে পাওয়ার গ্রিডের অপটিক্যাল ডার্ক ফাইবার কোর ব্যবহার করছে। এছাড়া, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সকল সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে একটি কৌশলগত টেলিকম নেটওয়ার্ক  নির্মাণে পাওয়ার গ্রিডের অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

সম্প্রতি পাওয়ার গ্রিড নিজস্ব অর্থায়নে ঢাকা-কুয়াকাটা-বেনাপোল রুটে ১৩.২ টিবিপিএস সক্ষমতার একটি ডেটা নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে যার বর্তমান অপারেশনাল সক্ষমতা ৮০০ জিবিপিএস। উক্ত নেটওয়ার্ক হতে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি সহ বিভিন্ন বেসরকারি International Internet Gateway (IIG) অপারেটরকে ডাটা ক্যাপাসিটি লিজ প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

 

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন